নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম বিপু হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের সাঁটলিপিকার সোহানুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাবু, বাবুল ওরফে চায়না বাবুল, তারিকুল ইসলাম ওরফে মিল্লাত, খায়রুল বাশার এবং সুমন ওরফে পাতলা সুমন। তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে কারাভোগ করতে হবে।
এ ছাড়া খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, সোহেল, আলম, আজাহারুল ইসলাম ওরফে পারভেজ, মামুন এবং উজ্জল।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৬ জুলাই ডেমরার বাসা থেকে বিপুকে ডেকে নিয়ে যান বাবু। এরপর তাকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বিপুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার মা লায়লা বেগম ওই দিনই ডেমরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর তদন্ত শেষে একই বছরের ২৯ নভেম্বর ১০ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় বিপুকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম বিপু হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের সাঁটলিপিকার সোহানুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাবু, বাবুল ওরফে চায়না বাবুল, তারিকুল ইসলাম ওরফে মিল্লাত, খায়রুল বাশার এবং সুমন ওরফে পাতলা সুমন। তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে কারাভোগ করতে হবে।
এ ছাড়া খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, সোহেল, আলম, আজাহারুল ইসলাম ওরফে পারভেজ, মামুন এবং উজ্জল।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৬ জুলাই ডেমরার বাসা থেকে বিপুকে ডেকে নিয়ে যান বাবু। এরপর তাকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বিপুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার মা লায়লা বেগম ওই দিনই ডেমরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর তদন্ত শেষে একই বছরের ২৯ নভেম্বর ১০ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় বিপুকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম।
Leave a Reply